যুক্তরাষ্ট্রের ট্রাম্প প্রশাসন **ইরানি তেল কেনার অভিযোগে চীনের একটি স্বাধীন টিপট রিফাইনারি ও অন্যান্য শিপিং কোম্পানির ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে**, আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের বাণিজ্যে ইরানের ভূমিকা কমানোর অংশ হিসেবে।
মার্কিন ট্রেজারি বিভাগের **অফিস অব ফরেন অ্যাসেটস কন্ট্রোল (ওএফএসি)** ঘোষণা করে যে, চীনের **হেংগলি পেট্রোকেমিক্যাল (দালিয়ান) রিফাইনারি** ইরানের অপরিশোধিত তেল ও পেট্রোলিয়াম পণ্য কিনেছে বলে অভিযোগ রয়েছে, যার জন্য তাকে নিষেধাজ্ঞার তালিকাভুক্ত করা হয়েছে।
একই সাথে প্রায় **৪০টি শিপিং কোম্পানি এবং জাহাজও নিষেধাজ্ঞার আওতায় আনা হয়েছে**, যেগুলো ইরানের 'শ্যাডো ফ্লিট' নামে পরিচিত এক গোপন অংশের সঙ্গে জড়িত বলে মার্কিন প্রশাসন দাবি করছে। এই শিপিং নেটওয়ার্কটি ইরানি তেল পরিবহনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে বলে বিবৃতি জানানো হয়েছে।
মার্কিন ট্রেজারি সেক্রেটারি **স্কট বেসেন্ট** বলেন, এই পদক্ষেপ ইরানের অর্থনৈতিক সুবিধা নিষেধাজ্ঞার আওতায় আনার লক্ষ্যে নেওয়া হয়েছে, যাতে তেলের বিক্রয় থেকে অর্জিত রাজস্ব বন্ধ করা যায় এবং ইরানের সামরিক ও রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে এর অর্থায়ন কমানো সম্ভব হয়।
চীন **এই নিষেধাজ্ঞার বিরোধিতা করেছে**, এবং ওয়াশিংটনকে "অবৈধ একতরফা নিষেধাজ্ঞা" আরোপের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও অর্থনীতির ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে বলে সমালোচনা করেছে। চীনের দূতাবাসের পক্ষ থেকে মার্কিন সিদ্ধান্তকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে বাণিজ্য ব্যবহারের অভিযোগও উঠেছে।
গত বছরও মার্কিন প্রশাসন ইরানি তেল কেনার অভিযোগে **অন্যান্য চীনা টিপট রিফাইনারিও** নিষেধাজ্ঞার আওতায় এনেছিল, যেখানে কয়েকটি প্রতিষ্ঠানও এমন একই অভিযোগে টার্গেট হয়েছিল। এর মাধ্যমে মার্কিন নীতির ধারাবাহিকতা বজায় থাকার ইঙ্গিত পাওয়া যায়।
এই নিষেধাজ্ঞা আন্তর্জাতিক সম্পর্ক ও তেলের বিশ্ববাজারের উপর প্রভাব ফেলতে পারে, বিশেষত মধ্যপ্রাচ্যের ভূ-রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার প্রেক্ষাপটে। বিশ্ব বাণিজ্য ও শক্তি বাজারে এ পদক্ষেপের প্রভাব এখনও পর্যবেক্ষণের মধ্যে রয়েছে।
reference: JamunaTV
Reviewed by Admin
on
April 25, 2026
Rating:


